Skip to main content

Posts

Showing posts from October, 2020

Featured Post

My photography.প্রথম এইট কে (8k) ছবি তোলার অভিজ্ঞতা ।

প্রথমবারের মতো 8k ছবি তোলার অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত উত্তেজনার। এক কথায় নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হচ্ছিল। কেননা 4k ক্যামেরা আজ কাল অনেকের কাছে থাকলেও 8k ক্যামেরার কিন্তু খুব অভাব। শুধু মাত্র হাতে গনা কয়েক জনের কাছেই এত হাই রেজুলেসন ক্যামেরা ছিল। যাই হক সময় তা ছিল শিতের প্রথম দিকে। ভাগ্যক্রমে সূর্য আলো যেন ছবি তোলার জন্য আমাকে সাহায্য করছিল। প্রথমে সূর্য বিপরীতে দারিয়ে সেডো পরীক্ষা করতে করতে একটা ক্লিক করতেই আশ্চর্য জনকভাবে এমন অসাধারণ এক ছবি উঠল আমি অবাগ হয়ে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মুগ্ধ হয়ে গিয়ে ছিলাম। 8k ক্যামেরার ক্ষমতা ধিরে ধিরে টের পেতে লাগলাম। সাধারণ ভাবে ছবি উঠালেও যেন মায়া ভরা সৌন্দর্য নিয়ে ছবি উঠে । এত ভালো কোয়ালিটির ছবি তলা যাচ্ছে দেখে নিজের একখানা ছবি তোলার লোভ শামলাতে পারলামনা। আর একজনকে ডেকে বললাম একটা ছবি তুলে দিতে। যখন উনি ছবি তুলছিলেন তখন ভাবছিলাম কেমন হবে ছবিটা ? সুন্দর ভাবে উঠবেত? নানান রকম কৌতূহল নিয়ে হালকা পোজ দিয়ে দাড়াতেই উনি ছোটপট ছবি উঠিয়ে বলতে লাগলেন ভাই আমার একটা ছবি উথিয়ে দিবেন? বলতে বলতে আমার হাতে ক্যামেরা ধরিয়ে দিয়ে নিজে নিজেই পোজ দিয়ে দাড়িয়ে ছবি উঠানোর জন্য অপেক্ষা কর...

টাচস্ক্রিন অন্তরভুক্ত প্রথম স্মার্টফোন এবং কিছু অজানা তথ্য।

এখনকার সময় অনুযায়ী  তেমন দেখাচ্ছে না,তবে ১৯৯২ সালে,IBM আইবিএম সাইমন  শহরের সবচেয়ে দুরদান্ত জিনিস ছিল। এটি একটি টাচস্ক্রিন অন্তরভুক্ত প্রথম স্মার্টফোন ছিল। আইবিএম এর সাইমন ফোনটি কেবল ফোন করতে পারত তা কিন্তু নয়।এটি ইমেল এবং ফ্যাক্সও রচনা করতে পারত এবং সময়রক্ষক হিসাবেও কাজ করতে পারত। সাল ২০০৬ (LG KE850) এটি  এলজি প্রাডা (PRADA) নামেও পরিচিত ,এটি এলজি ইলেক্ট্রনিক্সের তৈরি একটি টাচস্ক্রিন মোবাইল ফন।এটি প্রথম ঘোষিত হয়েছিল ১২ ডিসেম্বর ২০০৬ এ এবং এটি ইতালিয় লাক্সারি ডিজাইনার প্রাদারের সহযোগিতায় তৈরি করা হয়েছিল। এটি ১৮ জানুয়ারি ২০০৭ এ একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অফিশিয়াল করা হয়েছিল। ২০০৭ সালের মে মাসে বিক্রয় শুরু হয়,প্রায় $ 777 দামে খুচ্রা বিক্রয় হয়েছিল। আইফন হল প্রথম স্মার্টফোন যা (APPEL INC) অ্যাপল ইনক দ্বারা ডিজাইন করা এবং বছরের পর বছর ধরে গুজব এবং জল্পনার পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানুয়ারি ২০০৭ সালে ঘোষণা করা হয়েছিল। আর এটি জুন মাসে মার্কিন যুক্ত্রারাষ্টে প্রকাশিত হয়েছিল। ২০০৮ সাল প্রথম অ্যান্ড্রয়েড HTC DREM 1150 এইচটিসি ড্রিমটি ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮ এ ঘোষণা করা হলেও,এটি মার্কিন যুক্ত্ররাষ্টে...

প্রসেসর বা মাইক্রোপ্রসেসর একটি ছোট চিপ যা ডিভাইসের এর প্রাথমিক কাজটির ইনপুট গ্রহন করে এবং উপযুক্ত আউটপুট সবরাহ করে।

প্রসেসর বা মাইক্রোপ্রসেসর একটি ছোট চিপ যা কম্পিউটার  এবং অন্যান্য ইলেকট্রিক ডিভাইসে থাকে। এবং ডিভাইসে এর প্রাথমিক কাজটির ইনপুট গ্রহন করা এবং উপযুক্ত আউটপুট সরবরাহ করা এটির কাজ। এটি সাধারণ কাজের মতো মনে হলেও আধুনিক প্রসেসরগুলি প্রতি সেকেন্টে ট্রিলিয়ন কোটি গননা পরিচালনা করতে পারে। এই প্রসেসরটি সমস্ত মৌলিক সিস্টেমের নির্দেশাবলী যেমন মাউজ এবং কিবোর্ড ইনপুট প্রক্রিয়াজাতকরন এবং চলমান অ্যাপলিকেশন গুলিকে পরিচালনা করে বেশির ভাগ ডেস্কটপ কম্পিউটারগুলিতে একটি ইন্টেল বা এমডি দ্বারা ডেভলাপ করা সিপিইউ থাকে এবং উভয়ই x 86 প্রসেসরের আর্কিটেকচার ব্যবহার করে। মোবাইল ডিভাইস যেমন ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটগুলি ইন্টেল এবং এএমডি সিপিইউ ব্যবহার করে থাকে তবে এআরএম বা অ্যাপেলের মতো সংস্থাগুলি দ্বারা ডেভলাপ করা নির্দিষ্ট মোবাইল প্রসেসরগুলি ব্যবহার করে থাকে। আধুনিক সিপিইউতে প্রায়শই একাধিক প্রোসেসিং কোর অন্তরভুক্ত থাকে যা নির্দেশবলি প্রক্রিয়া করার জন্য একসাথে কাজ করে। আসলে আপনি যদি (উইন্ডোজ) বা অ্যাটিভিতি মনিটর ম্যাক,অএস বা এক্স এর মতো সিস্টেম মনিটরিং ইউটিলিটি সহ আপনার কম্পিউটারের পারফরম্যান্সটি দেখতে পান তবে প্রতিটি...

রোম কি? রম এর প্রকার ?

  রোম কি? রোম  মানে  কেবল পঠনযোগ্য মেমরি, আরো ভাল ভাবে বলতে গেলে,রোম মানে শুধু রিড করতে পারে এমন মেমোরি।  রোম একটি Solid -State Semiconductor মেমরি যা কেবলমাত্র আগাম সঞ্চিত ডেটা পড়তে পারে। এর বৈশিষ্টটি হল একবার ডেটা সংরক্ষন করা হয়। এটি সাধারণত কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহৃত হয় এবং বিদ্যুৎ বন্ধ থাকলেও ডেটা নষ্ট হয় না। প্রাথমিক স্টরেজের সর্বাধিক ব্যবহৃত ফর্মটি হল Random Access Memory রেন্ডম অ্যাক্সেস মেমরি র‍্যাম (RAM) এর Unstable ফর্ম,যার অর্থ কম্পিউটারটি বন্ধ হয়ে গেলে  র‍্যামে থাকা যে কোনও সামগ্রী নষ্ট হয়ে যায় । এমনকি রম এক ধরনের নন ভোলাটেইল মেমরি হলেও কিছু সীমাবদ্ধতার কারনে এটি প্রাথমিক স্টোরেজ হিসাবে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়।সাধারণ ভাবে অ উদ্বায়ি স্রিতিগুলি আরও ব্যয়বহুল কম পারফরম্যান্সে থাকে বা non volatile এলোমেলো অ্যাক্সেসের সৃতিগুলির তুলনায় সীমিত সময়কাল থাকে।  রমে সঞ্চিত ডেটা স্থিতিশীল এবং সঞ্চিত ডেটা পাওয়ার অফ হওয়ার পরে পরিবর্তন হয় ন। কাঠামোগুলি তুলনামুলক ভাবে সহজ রবং পড়া  সুবিধাজনক।সুতরাং এটি প্রায়শই Secondary স্টোরেজ বা দীর...

র‍্যাম হল এক ধরনের কম্পিউটারের বা মোবাইলের (ডাটা) সংরক্ষণের মাধ্যম।

রেমডম অ্যাক্সেস মেমরি (ইংরেজিঃRandom access memory) সংক্ষেপে, র‍্যাম (RAM) র‍্যাম  হল এক ধরনের কম্পিউটারের বা মোবাইলের (ডাটা) সংরক্ষণের মাধ্যম। র‍্যাম থেকে যে কোন ক্রমে ডাটা "অ্যাক্সেস"করা যায়, একারণেই একে রেমডম অ্যাক্সেস মেমরি বলা হয়। রেমডম শব্দটি দিয়ে এখানে বুঝান হয়েছে -যেকোনো ডাটা (তার অবস্থানের উপরে নির্ভর না করে) ঠিক একই নির্দিষ্ট সময়ে উদ্ধার করা যায়।   যেভাবে এগুলো ডাটা রিড করতে পারে সে হিসেবে রক্ষনাত্নক দৃষ্টিতে,আধুনিক ডির‍্যামগুলো রেমডম অ্যাক্সেস মেমরি নয়। একইসাথে বিভিন্ন ধরনের এসর‍্যাম,রম,ও টিপি এবং নওর ফ্ল্যাশ ইত্যাদি রেমডম অ্যাক্সেস মেমরি।   র‍্যামকে ভোলাটাইল মেমরি বলা হয় কারন এতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আর থাকে না। আর কিছু নন- ভোলাটাইল মেমরি (যেগুলোতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরও তথ্য মুছে যায় না)যেগুলো রক্ষনাত্তক দৃষ্টিতে র‍্যাম  সেগুলো হল রম।একধরনের ফ্ল্যাশ মেমরি যাকে নওর ফ্ল্যাশ বলে।   প্রথম র‍্যাম মডিউল বাজারে আসে যেটা তৈরি হয়েছিল ১৯৫১ সালে এবং ১৯৬০ দশকে এবং ১৯৭০ দশকে প্রথম দিকে বিক্রি হয়ে ছিল।যাই হোক,অন্যান্য মেমরি যংত্রাংশ (...

মোবাইলের ইতিহাস ।

মোবাইল ফোন, বিশেষ ভাবে স্মার্টফোনগুলি যা আজ আমাদের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হয়ে উঠেছে। যাইহোক,১৯০৮ সালে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে PATENT  তারবিহীন টেলিফোনের জন্য KENTUCKY জারি করা হয়েছিলো তখনই মোবাইল ফোনের ইতিহাস শুরু হয় । ATM এবং T- তে কর্মরত প্রকৌশলীরা মোবাইল ফোন বেস স্টেশন গুলির জন্য সেল তৈরি করার সময় ১৯৪০ এর দশকের প্রথম দিকে মোবাইল ফোন আবিস্কার হয়ে ছিল। প্রথমেই মোবাইল ফোনের সব সত্যিই মোবাইল ফোন ছিল না ।এটি ছিল  দ্বিমুখি রেডিও যা ট্যাক্সি ড্রাইভার এবং জরুরি পরিসেবাগুলির লোকদের যোগাযোগের মাধ্যম। তবে ১৯৭৩ সালের ৩ এপ্রিল প্রথম হ্যান্ডহেল্ড মোবাইল ফোনটি প্রথম উৎপাদনকারী সংস্থা ছিল  মটোরোলা। এই প্রাথমিক মোবাইল ফোনগুলি প্রায় 0 জি মোবাইল ফোন বা জিরো জেনারেশন মোবাইল ফোন হিসাবে পরিচিত। বেশিরভাগ ফোন আজ 2   জি, 3   জি, 4   জি , 5  জি মোবাইল প্রযুক্তির উপর নিরভর করে। মোবাইল ফোনের ইতিহাস খুবই বিরাট,এগুলোর মধ্যে আকর্ষণীয় কয়একটি (ইউসুইচ ডট কম) এর তথ্য অনুযায়ী তুলে ধরার চেষ্টা  করব। ১৯২৬ঃ প্রথম সফল মোবাইল টেলিফোনি পরিষেবা বার্লিন এবং হামবুর্গের মধ্যবর্তী রুটে...

এসডি কার্ড এর ইতিহাস এবং বিবর্তন

ফ্ল্যাশ মেমরি কার্ড এর ইতিহাস এবং বিবর্তন । ১৯৮০ঃ তশিবা ১৯৮০ এর দশকের গড়ার দিকে EEPROM থেকে নওর টাইপ ফ্ল্যাশ মেমরি বিকাশিত করে এবং এতি ১৯৪৮ সালে বাজারে এনেছিল। ১৯৯০ঃপিসি কার্ডস (পিসিএমসিআইএ) বেক্তিগত কম্পিউটার মেমরি কার্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন (পিসিএমসিআইএ) তৈরি হয়ে ছিল   ১৯৯১ সালে প্রথম এন এএনডি- টাইপ ফ্ল্যাশ মেমরি প্রযুক্তি তোশিবা দ্বারা বাজারে উপস্থাপিত হয়েছিল। ন্যানড -টাইপ ফ্ল্যাশ মেমরিটি একটি নতুন (এবং উন্নত) কনফিগারেশন ছিল যা মেমরি সেল ক্ষেত্রকে হ্রাস করে যাতে কম বিট ব্যায় করা যায়। ১৯৮০ সালে তোশিবার হয়ে কাজ করার সময় উভয় ধরনের ফ্ল্যাশ মেমরি আবিস্কার করেছিলেন ডঃ ফুজিও মাসুওকা। ১৯৯৪ঃকম্প্যাক্ট ফ্ল্যাশ আই (সিএফ-1) এবং (সিএফ-2) কম্প্যাক্ট ফ্ল্যাশ জনপ্রিয় রয়ে গেছে এবং ক্যানন আর নিকন ডিজিটাল ক্যামেরার মতো অনেকগুলি পেশাদার ডিভাইসে সাপোর্টেট । ১৯৯৫ঃস্মার্টমিডিয়া (এসএম/ এসএমসি ) তোশিবার মালিকাধীন একটি ন্যানড-ভিক্তিক ফ্ল্যাশ মেমরি কার্ড স্ট্যান্ডার্ড যা ১৯৯৫ সালে কম্পিউটার ফ্লপি ডিস্কের উত্তরসূরি হুসাবে চালু হয়েছিল। স্মার্টমিডিয়া মেমরি কার্ডগুলি এখন আর তৈরি হয়না। ১৯৯৮ঃমেমরি স্টিক ...

সাধারণ একটি সংরক্ষন বা ব্যাকআপ সেটাপ করলেই মোবাইল বা সিম নিয়ে কোন সমস্যা হলেও গুরুত্বপূর্ণ কন্টাক্ট নাম্বারগুলো নিরাপদে থাকবে এবং আপনিও নিশ্চিন্তে থাকুন।

অনেকেই বলে থাকে নতুন করে সিম রিপ্লেস করেছি তাই সব নাম্বার চলে গেছে। বা মোবাইল হারিয়ে গেছে তাই সব নাম্বার চলে গেছে। কন্টাক্ট নাম্বার নিয়ে এমন নানান সমস্যা রয়েছে, কিন্তু সাধারণ একটি সংরক্ষন বা ব্যাকআপ সেটাপ করলেই এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব কন্টাক্ট ব্যাকআপ করার জন্য গুগল কন্টাক্ট ব্যাবহার করা খুব সহজ। আপনার নিজের জিমেইল দিয়েই কন্টাক্ট ব্যাকআপ করতে পারবেন। আইফোন বা  অ্যান্ড্রয়েড  ডিভাইস থেকে সুংযুক্তিটি খোলা যাবে। এছাড়াও এর নানান রকম সুবিধা রয়েছে, যেমন, -কন্টাক্ট নাম্বারের সমস্ত তথ্য,এমনকি চিত্রগুলিও পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। -অফ লাইন ব্যাকআপ করতে পারবেন। -আপনি নিজের মেইল থেকে কন্টাক্ট ডাউনলোড করতে পারবেন। -একটি  এন্ড্রইডে  থেকে আর একটি  অ্যান্ড্রয়েড  কন্টাক্ট নাম্বার হস্তান্তর করতে পারবেন। -কন্টাক্ট নাম্বার শেয়ার করতে পারবেন। -আইফন থেকে অ্যান্ড্রয়েডে  কন্টাক্ট নাম্বার  হস্তান্তর করতে পারবেন। -সমস্ত কন্টাক্টগুলোকে অন্য  অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস/এসডি কার্ড/জিমেইল/ড্রপ বক্সে ব্যাকআপ করতে পারবেন। -নকল/অভারলেপ কন্টাক্ট ছাড়াই  এসডি কার্ড/ জিমেইল/ড্রপ...

এসডি কার্ডে অঢেল পরিমানে যায়গা থাকা সত্ত্বেও ইন্টারনাল স্টোরেজ নিয়ে অনেকেরই সমস্যা হয়ে থাকে।কিন্তু ইচ্ছে করলেই খুব সহজ একটি সেটিং সেটআপ করেই এই সমস্যার সমাধান করা যায়।

এসডি কার্ডে অঢেল পরিমানে যায়গা থাকা সত্ত্বেও  ইন্টারনাল স্টোরেজ নিয়ে অনেকেরই সমস্যা হয়ে থাকে। ফোন মেমরিতে যথেষ্ট পরিমান যায়গা না থাকায় প্রায়ই        internal storage running out some system functions may not work এর সম্মুখিন হতে হয়। কিন্তু ইচ্ছে করলেই খুব সহজ একটি সেটিং সেটআপ করেই এই সমস্যার সমাধান করা যায়। অপশনটির হচ্ছে ডেভলাপার অপশন। ডেভলাপার অপশন  টি ব্যাবহার করে  ইন্টারনাল স্টোরেজের সমস্যা সমাধান করা যায়। তবে প্রায় সময়  সেটিং এ  ডেভলাপার অপশন থাকে না। এজন্য প্রথমে   সেটিং এ  ডেভলাপার অপশন টি আনতে হবে। তারপর  ডেভলাপার অপশন টি  on  করতে হবে। তারপর  ডেভলাপার অপশন এর নিচের দিকে গিয়ে  force allow apps on external   টি  allow করে দিতে হবে। আরো সহজে বুঝতে। যদি সেটিং এ  ডেভলাপার অপশন না থাকে তাহলে, setting এ যান তারপর→about phone তারপর → build number  বিল্ড নম্বরে 5 বার চাপুন। তারপর একটি Developer options খুলবে ডেভলাপার অপশন টি  on  করুন। অন করার পর...

মোবাইল কেনার পর গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলর মধ্যে আরএকটি হলো প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষন বা ব্যাকআপ করা।

মোবাইল কেনার পর গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলর মধ্যে আরএকটি হলো  প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষন বা ব্যাকআপ করা। মোবাইল বা মেমরি হারিয়ে যাওয়ার কারনে প্রয়োজনীয় অনেক তথ্য চির দিনের জন্য হারিয়ে ফেলতে হত।   কিন্তু ইচ্ছে করলে খুব সহজেই তথ্য গুগল ড্রাইেভ সংরক্ষন করে রাখা যায়। গুগল ড্রাইভ এমন একটি পরিসেবা যেটি আমাদের জিবনের প্রতি মুহুরতের সৃতি ধারা ধারনকৃত এবং দৈনন্দিন জিবনের প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষন করে।   গুগল ড্রাইভে ১৫ জিবি পরিমান তথ্য বিনা মূল্যে সংরক্ষন করতে পারবেন। গুগল ড্রাইভে শুধুমাত্র জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করেই তথ্য সংরক্ষন করতে পারেন। এতেকরে মেমরি কার্ড বা মোবাইল নষ্ট হয়ে গেলে বা হারিয়ে গেলেও গুগল ড্রাইভে আপনার তথ্য থেকে যাবে। এবং পরবর্তীতে আবার জিমেইল দিয়ে (যে জিমেইল দিয়ে গুগল ড্রাইভ সাইনাপ করে তথ্য সংরক্ষন করে ছিলেন) সাইনআপ করে পুনরায় আপনার তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। আরো কিছু পরিসেবা যেমন, #আপনার ডিভাইস ছারাও অন্য ডিভাইস দিয়েও এক্সেস করতে পারবেন। #অন্য কারো সাথে শেয়ার করতে পারবেন #দরখাস্ত বা রশিদ স্কেন করতে পাবেন। # অফলাইন মোড অন করে ইন্টারনেট ছারাও দেখতে পারবেন। #কিছু অংকন করে ...

নতুন মোবাইল কেনার পরই যত দ্রুত সম্ভব গুগল ফাইন্ড মাই ডিভাইস সেট করুন। এতে আপনিও নিশ্চিন্তে থাকুন এবং আপনার ফোনটিও সুরক্ষিত থাকবে।

নতুন মোবাইল মানে কয়একদিন নিজের মত সেটিং সেট করা, প্রয়োজনিও এপস এবং পছন্দের গেম ডাউনলোড করা ইত্যাদি। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি আমদের অনেকেরই নজর এরিয়ে যায়। সেটি হচ্ছে   ফাইন্ড মাই ডিভাইস  সেট করা।  ফাইন্ড মাই ডিভাইস  গুগল প্লে প্রোটেক্টের একটি অংশ, আপনার ফোনটিকে সুরক্ষা প্রদান করার জন্য এই পরিষেবাটি ডিজাইন করা ।    ফাইন্ড মাই ডিভাইস আপনাকে হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া ফোন খুজে পেতে,দূরবর্তীথেকে ডেটা মুছতে এবং লক করতে পারার শুবিধা দিবে।   গুগল প্লেস্টোর থেকে খুব সহজেই গুগল  ফাইন্ড মাই ডিভাইস  এপ ডাউনলোড করে গুগল অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে সাইনইন করলেই সকল সুবিধা পাওয়া যাবে।  ফাইন্ড মাই ডিভাইস এর সুবিধাসমূহ।   # ফাইন্ড মাই ডিভাইস এর সব চেয়ে বড় সুবিধা হল যদি আপনি আপনার ফোনটি হারিয়ে ফেলেন তাহলে ফাইন্ড মাই ডিভাইস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনটি সনাক্ত করতে পারবেন   # প্লে সাউন্ড ব্যবহার করতে পারার সুবিধা, ''প্লে সাউন্ড''যা পাঁচ মিনিটের জন্য সম্পূর্ণ ভলিউমে অবিচ্ছিন্নভাবে আপনার ফোনের রিংটোন উচ্চ স্বরে বাজাতে থাকে।...

মোবাইল কেনার সময় কমপক্ষে ৩ দিন রিপ্লেস্মেন্টের সুবিধা নিতে হবে।

মোবাইল কেনার সময় কমপক্ষে ৩ দিন রিপ্লেস্মেন্টের সুবিধা নিতে হবে। (বর্তমানে অনেক ব্র্যান্ডের মোবাইলেই আরো বেশি দিনের রিপ্লেস্মেন্টের সুবিধা থাকে)   অনেক সময় ভাগ্য খারাপ থাকলে মোবাইল কেনার এক দুই দিনের মধ্যেই সমস্যা দিতে পারে।    যেমন, ক্যামেরা অন করলে মোবাইল বন্ধ হয়ে যাওয়া।  মোবাইল হঠাৎ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া। সিম কার্ড কানেকশন না হওয়া। ওয়াইফাই বা মোবাইল নেটওয়ার্ক  কানেকশন না হওয়া। এসডি কার্ড সাপোর্ট না করা ইত্যাদি । এই রকম নানান সমস্যা মোবাইল কেনার দুই একদিনের দিনের মধ্যেই হতে পারে। সেক্ষেত্রে যেন মোবাইলটি রিপ্লেস্ করতে পারার সুযোগ থাকে। কারন আমাদের দেশে ইলেকট্রিক জিনিস সাটার গ্যারান্টি হিসেবে বিক্রয় করা হয় বলে প্রবাদ আছে। তার মানে আপনি কেনার পর দোকানের সাটার পার করলেই দোকানদাড়ের দায়িত্ব শেষ। আপনি ঘুরে এসেই মোবাইল বদলাতে পারবেন না এজন্য মোবাইল কেনার সময় অবশ্যই কমপক্ষে তিন দিনের রিপ্লেস্মেন্ট সুবিধা নিবেন। তবে দিন বদলের সাথে সাথে এখনকার সময়ে মোবাইল ব্র্যান্ড গুলো অফিশিয়াল ভাবেই কয়একদিন  রিপ্লেস্মেন্ট সুবিধা দিয়ে থাকে।

অবশ্যই এমন ব্র্যান্ডের মোবাইল কেনা উচিৎ যাদের সার্ভিস সেন্টারের কমতি নেই।

মোবাইল কেনার সময় যে ভুলটা আমরা প্রায়ই করি। আমরা মোবাইল কেনার সময় সবার আগে কতদাম দিয়ে মোবাইল কিনবো,কোন ব্র্যান্ডের মোবাইল কিনবো,কেমেরা,রেম,রম, ডিসপ্লে এবং প্রসেসর কেমন হবে এসব নিয়ে ভাবি,কিন্তু,অনেকেই এটা ভাবে না যে ভবিষ্যতে মোবাইলটি নষ্ট হয়ে গেলে সেটি নিয়ে কতটা ভগান্তি পহাতে হতে পারে । যেমন বাংলাদেশে এখন অনেক ব্র্যান্ডের মোবাইল আছে যাদের অফিশিয়াল সার্ভিস সেন্টার মাত্র হাতে গনা কয়েকটি।কিন্তু এসব ব্র্যান্ডের মোবাইল কম দামে বেশি ফিচার দেওয়ায় অনেকেই সার্ভিস সেন্টারের চিন্তা না করেই এসব মোবাইল কিনেছেন। যেমন, যিনি মোবাইল কিনেছেন তিনি থাকেন নারায়ণগঞ্জ এবং মোবাইলটির অফিশিয়াল সার্ভিস সেন্টার ঢাকার মধ্যে গুলশান এবং ঢাকার বাইরে চিটাগাং,সিলেট ইত্যাদি যায়গায়। তখন ফ্রি সার্ভিস থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত টাকা খরচ করেই মোবাইলটি মেরা মত করতে হয় । তাও আবার অরজিনাল না ডুপ্লিকেট মালামাল দিয়ে মোবাইল মেরামত করা হচ্ছে সেদিকেও মতবিরোধ থেকে যায়। তাছাড়া সঠিক ভাবে মেরেমত করা হবে কিনা সেদিকেও নানান প্রশ্ন থেকে যায়। তাই মোবাইল কেনের সময়  এমন ব্র্যান্ডের মোবাইল কেনা উচিৎ যাদের সার্ভিস সেন্টারের কমতি নেই। এজন্য মোবাই...

ক্যামেরা,রেম,রম এবং নেট কানেকশন চেক করার পাশাপাশি IMEI নম্বরটিও যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

আমরা অনেকেই মোবাইল কেনার সময় ক্যামেরা অন করে কয়েকটা ছবি উঠাই তারপর ডিস্প্লের শার্পনেস দেখি, রেম,রম,নেট কানেকশন চেককরি এবং এইচ ডি গেম প্লে করে দেখি । তারপর দামাদামি করে মোবাইল কিনে নেই। তবে প্রায় সময় আমরা অনেকেই IMEI নম্বর যাচাই করি না।   কিন্তু আইএমইআই নম্বর যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি কারন কিছু অসাধু লোকেরা চুরি বা ব্যাবহার করা মোবাইল কিনে IMEI নম্বর পরিবর্তন করে বাজারে বিক্রি করে থাকে।  এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে নকল/ ক্লোন IMEI সম্বলিত মোবাইল হ্যান্ডসেট মোবাইল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হলে পরবর্তীতে NEIR এর মাধ্যমে নেটওয়ার্ক হতে বিচ্ছিন্ন করা হবে আরো বিস্তারিত IMEI নম্বর যাচাই করে আমরা মোবাইলটির সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে পারি।   যেমনঃ ফোনটি এর আগে ব্যবহার করা হয়েছে কিনা।  ফোনটি চুরি করা বা নকল/ক্লোন কিনা।  ফোনটি কত সালে তৈরি করা হয়েছে।  কোন ফ্যাক্ট্রিরিতে তৈরি হয়েছে।  ফোনে কি কি উপকরন রয়েছে ইত্যাদি।      IMEI নম্বর কাকে বলে ?  I-International  M-Mobile  E-Equipment  I-Identity  ...