প্রথমবারের মতো 8k ছবি তোলার অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত উত্তেজনার। এক কথায় নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হচ্ছিল। কেননা 4k ক্যামেরা আজ কাল অনেকের কাছে থাকলেও 8k ক্যামেরার কিন্তু খুব অভাব। শুধু মাত্র হাতে গনা কয়েক জনের কাছেই এত হাই রেজুলেসন ক্যামেরা ছিল। যাই হক সময় তা ছিল শিতের প্রথম দিকে। ভাগ্যক্রমে সূর্য আলো যেন ছবি তোলার জন্য আমাকে সাহায্য করছিল। প্রথমে সূর্য বিপরীতে দারিয়ে সেডো পরীক্ষা করতে করতে একটা ক্লিক করতেই আশ্চর্য জনকভাবে এমন অসাধারণ এক ছবি উঠল আমি অবাগ হয়ে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মুগ্ধ হয়ে গিয়ে ছিলাম। 8k ক্যামেরার ক্ষমতা ধিরে ধিরে টের পেতে লাগলাম। সাধারণ ভাবে ছবি উঠালেও যেন মায়া ভরা সৌন্দর্য নিয়ে ছবি উঠে । এত ভালো কোয়ালিটির ছবি তলা যাচ্ছে দেখে নিজের একখানা ছবি তোলার লোভ শামলাতে পারলামনা। আর একজনকে ডেকে বললাম একটা ছবি তুলে দিতে। যখন উনি ছবি তুলছিলেন তখন ভাবছিলাম কেমন হবে ছবিটা ? সুন্দর ভাবে উঠবেত? নানান রকম কৌতূহল নিয়ে হালকা পোজ দিয়ে দাড়াতেই উনি ছোটপট ছবি উঠিয়ে বলতে লাগলেন ভাই আমার একটা ছবি উথিয়ে দিবেন? বলতে বলতে আমার হাতে ক্যামেরা ধরিয়ে দিয়ে নিজে নিজেই পোজ দিয়ে দাড়িয়ে ছবি উঠানোর জন্য অপেক্ষা কর...
মোবাইল ফোন, বিশেষ ভাবে স্মার্টফোনগুলি যা আজ আমাদের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হয়ে উঠেছে।
যাইহোক,১৯০৮ সালে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে PATENT তারবিহীন টেলিফোনের জন্য KENTUCKY জারি করা হয়েছিলো তখনই মোবাইল ফোনের ইতিহাস শুরু হয় ।
ATM এবং T-তে কর্মরত প্রকৌশলীরা মোবাইল ফোন বেস স্টেশন গুলির জন্য সেল তৈরি করার সময় ১৯৪০ এর দশকের প্রথম দিকে মোবাইল ফোন আবিস্কার হয়ে ছিল।
প্রথমেই মোবাইল ফোনের সব সত্যিই মোবাইল ফোন ছিল না ।এটি ছিল দ্বিমুখি রেডিও যা ট্যাক্সি ড্রাইভার এবং জরুরি পরিসেবাগুলির লোকদের যোগাযোগের মাধ্যম।
তবে ১৯৭৩ সালের ৩ এপ্রিল প্রথম হ্যান্ডহেল্ড মোবাইল ফোনটি প্রথম উৎপাদনকারী সংস্থা ছিল মটোরোলা।
এই প্রাথমিক মোবাইল ফোনগুলি প্রায় 0 জি মোবাইল ফোন বা জিরো জেনারেশন মোবাইল ফোন হিসাবে পরিচিত।
বেশিরভাগ ফোন আজ 2 জি,3 জি,4 জি ,5 জি মোবাইল প্রযুক্তির উপর নিরভর করে।
মোবাইল ফোনের ইতিহাস খুবই বিরাট,এগুলোর মধ্যে আকর্ষণীয় কয়একটি (ইউসুইচ ডট কম) এর তথ্য অনুযায়ী তুলে ধরারচেষ্টা করব।
১৯২৬ঃ প্রথম সফল মোবাইল টেলিফোনি পরিষেবা বার্লিন এবং হামবুর্গের মধ্যবর্তী রুটে
(ডয়চে রেখসবাহনে) প্রথম শ্রেণির যাত্রিদের জন্য দেওয়া হয়েছিল।
(ডয়চে রেখসবাহনে) প্রথম শ্রেণির যাত্রিদের জন্য দেওয়া হয়েছিল।
১৯৪৬ঃপ্রথম কলগুলি শিকাগোর একটি গাড়ির রেডিওটেলিফোনে করা হয়েছিল।
১৯৫৬ঃসুইডেনে বেক্তিগত যানবাহনের জন্য প্রথ স্বয়ংক্রিয় মোবাইল ফোন সিস্টেম চালু হয়েছিল।ডিভাইসটির রোটারি ডায়াল সহ ভ্যাকুয়াম নল প্রযুক্তি নিয়ে এর ওজন ছিল ৪০ কেজি।
আর এটি স্টকহোম এবং গথেনবারগের মধ্যে মোট ১২৫ জন গ্রাহক ছিল।
১৯৭৩ সালে মটোরোলা যোগাযোগ ব্যবস্থা বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার ডঃ মারটিন কুপার একটি ডিভাইসে প্রথম পাবলিক মোবাইল ফোন করে ছিলেন যার ওজন ছিল ১.১ কেজি।
১৯৯২ঃবিশ্বের প্রথম এসএমএস বার্তা যুক্তরাজ্যে প্রেরন করা হয়ে ছিল.২২ বছর বয়সি নীল পাপওয়ারথ ভোডাফোনের জন্য মেসেজিং পরিষেবা বিকাশের দায়িত্বপ্রাপ্ত টেলিকম ঠিকাদারের বিকাশকারি ছিলেন।বার্তাটি ছিল"মেরি ক্রিসমাস" এবং পাঠানো হয়েছিল ভোডাফোনের পরিচালক রিচারড জাভিরসের কাছে,
১৯৯৮ঃমোবাইল ফোনে বিক্রি হওয়া প্রথম ডাউনলোডযোগ্য সামগ্রীটি ছিল রিংটোন যা ফিনল্যান্ডের রেডিওলিনজা চালু করে ছিল।যা শেষ পর্যন্ত ক্রেজি ফ্রগের রিংটোনকে আধা বিলিয়ন ডলার উপার্জন এবং স্টেডিয়াম ভরাট সাব রকারদের পরাজিত করেছিল যারা লন্ডনের কোল্ডপ্লে চার্টের এক নম্বর স্থানের ছিল।
ইতিহাসের সেরা টেলিফোনের কিছু ইতিহাস
এই টেলিফোন 1881 সালে লার্স ম্যাগনাস এরিকসন ডিজাইন ও প্রযোজনা করেছেন।
প্রথম বেল ওয়াল টেলিফোন, আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেলের "বাক্স" টেলিফোনের প্রাচীর সংস্করণ 1877 সালের আগস্টে নকশা করা হয়েছিল
Interesting
ReplyDeleteThanks for sharing this Historical information
ReplyDelete