ফ্ল্যাশ মেমরি কার্ড এর ইতিহাস এবং বিবর্তন ।
১৯৮০ঃ তশিবা ১৯৮০ এর দশকের গড়ার দিকে EEPROM থেকে নওর টাইপ ফ্ল্যাশ মেমরি বিকাশিত করে এবং এতি ১৯৪৮ সালে বাজারে এনেছিল।
১৯৯০ঃপিসি কার্ডস (পিসিএমসিআইএ) বেক্তিগত কম্পিউটার মেমরি কার্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন (পিসিএমসিআইএ) তৈরি হয়ে ছিল
১৯৯১ সালে প্রথম এনএএনডি- টাইপ ফ্ল্যাশ মেমরি প্রযুক্তি তোশিবা দ্বারা বাজারে উপস্থাপিত হয়েছিল।
ন্যানড -টাইপ ফ্ল্যাশ মেমরিটি একটি নতুন (এবং উন্নত) কনফিগারেশন ছিল যা মেমরি সেল ক্ষেত্রকে হ্রাস করে যাতে কম বিট ব্যায় করা যায়।
১৯৮০ সালে তোশিবার হয়ে কাজ করার সময় উভয় ধরনের ফ্ল্যাশ মেমরি আবিস্কার করেছিলেন ডঃ ফুজিও মাসুওকা।
১৯৯৪ঃকম্প্যাক্ট ফ্ল্যাশ আই (সিএফ-1) এবং
(সিএফ-2) কম্প্যাক্ট ফ্ল্যাশ জনপ্রিয় রয়ে গেছে এবং ক্যানন আর নিকন ডিজিটাল ক্যামেরার মতো অনেকগুলি পেশাদার ডিভাইসে সাপোর্টেট ।
১৯৯৫ঃস্মার্টমিডিয়া (এসএম/এসএমসি) তোশিবার মালিকাধীন একটি ন্যানড-ভিক্তিক ফ্ল্যাশ মেমরি কার্ড স্ট্যান্ডার্ড যা ১৯৯৫ সালে কম্পিউটার ফ্লপি ডিস্কের উত্তরসূরি হুসাবে চালু হয়েছিল।স্মার্টমিডিয়া মেমরি কার্ডগুলি এখন আর তৈরি হয়না।
১৯৯৮ঃমেমরি স্টিক (এমএস) একটি অপসারন যোগ্য ফ্ল্যাশ মেমরি কার্ড ফরম্যাট,যা ১৯৯৮ এর শেষদিকে সনি চালু করে ছিল।
২০০৩ঃমিনি এসডি কার্ড ফর্মটি এসডি কার্ডের একটি ছোট সংস্করন হিসাবে ২০০৩ সালে চালু হয়ে ছিল।
নতুন কার্ড গুলি বিশেষিত মোবাইল ফোনের জন্য নকশা কৃত করার সময় এগুলি সাধারণত একটি মিনি এসডি
অ্যাডাপ্টারের সাথে প্যাক করা হয় যা একটি স্ট্যান্ডার্ড এসডি মেমরি কার্ড স্লটের সাথে সামঞ্জস্যতা সরবরাহ করে।
২০০৫ সালে,মাইক্রো এসডি কার্ড গুলি চালু করা হয়ে ছিল,
32,64 এবং 128 এমবি ধারণক্ষমতাতে পাওয়াযেত।
এর পর মাইক্রো এম 2 কার্ড
(MB এমবি থেকে 1 GB -১ গিগা বাইট)
এবং মাইক্রো এসডি কার্ড
(2 GB গিগা বাইট থেকে 32 GB গিগা বাইট পর্যন্ত)রয়েছে।
Thanks for sharing
ReplyDeleteUnknown information
Very nice
ReplyDelete