বান্দরবন ভ্রমন ২০২০
জানুয়ারি মাসের ১৭ তারিখে আমরা বান্দরবনের উদ্দেশে রওনাদেই।
গাড়ি ছারার সময় ১০ঃ৩০ হলেও প্রতিবাবের মতো গাড়ি ছাড়তে ছাড়তে ১২ঃ১০ বেজে যায়।
সবাই ঠিক সময় মতোই এসে ছিল কিন্তু আমারই সব গুছিয়ে উঠতে সময় লেগে যায়।
যাই হক শেষমেশ গাড়ির ইঞ্জিন স্টার্ট দিতেই সবার মনের মধ্যে যেন আনন্দের চিৎকার বাধ হারা হয়ে বেরতে লাগলো।
সত্যি কথা বলতে আমিও চিৎকার করতে বাকি রাখিনি।
ভাবই লাগছিল তখন।একটু পরেই বাসের সুপারভাইজর আমাকে ডেকে বললেন ভাই যারা যারা পলি নিবে তাদের কে পলি দিয়ে দিব?
আমি বললাম আপনার যা যা ফরমালেতি পালন করার আপনি করে ফেলুন।
তিনি আমার সিটের পাশে দাড়িয়ে উনি উনার সংক্ষিপ্ত সাধুবাদ বক্তব্য শেষ করেন।তার পর যাদের যাদের পলি দরকার তাদের পলি দিয়ে উনি উনার সিটে বসে গেলেন ।
যাত্রাবাড়ী পার করতেই সবাই স্পিকারের সাউন্ড বারিয়ে পুরো বাস নারিয়ে তুলতেলাগল।
আমি ততোক্ষণ সিটে বসে থাকলেও তারপর আর পারিনি।
সবাই এসে মাইকটা হাতে ধরিয়ে দিয়ে চিৎকার করতে লাগলো।
ভাবলাম খালি গলায় গান গাওয়ার থেকে কারাওকি দিয়ে গান গাওয়ার ব্যাপারটা মাথায় এল।
সাথে সাথে মোবাইলটা স্পিকারের সাথে কানেক্ট করে শুরু করে দিলাম ,শুধু আমি একা নই সবাই একসাথেই গান গাইতে লাগলাম।
৩০ মিনিটের ননস্টপ গান গাওয়ার পর সিটে এসে বসতেই মোবাইলে কল আসলো ;ভাইয়া আপনারা কি গাড়িতে উঠেছেন? একথা শুনেই বুঝতে পারলাম হোটেল ম্যানেজার কল করেছেন।
তারপর উনার সাথে কথা শেষ করার আগেই চাদের গাড়ির ড্রাইভার সাহেব কল দিলেন।
হোটেল ম্যানেজার এর সাথে কথা শেষ করে চাদের গাড়ির ড্রাইভার সাহেবের সাথে কথা বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পাইচারি করতে করতে কিছু সময় কাটানোর পর চলন্ত বাসের সামনে বসে গাড়ি চালানর দৃশ্য দেখার লোভ সামলাতে পারিনি।এজন্য সামনের দিকে গেলাম,একটু এগিয়ে যেতেই চোখে পরল শুধু আমি একাই নই আমার মতো আরও কয়েকজন গাড়ি চালানর দৃশ্য দেখার মজা নিচ্ছে।
যাই হক একা একা দেখে আর এত ভালো লাগত না সবার সাথে দেখলেই অনেক ভাললাগবে।এই ভেবে একদম সামনের দিকে বসে রাতের অন্ধকারে উজ্জ্বল আলো জালিয়ে খুব গতিতে ছুতে চলছিল গাড়িটা।একের পর এক ওভারটেক,হালকা কুয়াশা ঢাকা পিচঢালা পথের ওপর দিয়ে সজোরে চলছিল গাড়ি সে আজব এক সৌন্দর্য পূর্ণ দৃশ্য।
Durdanto vromon kahini
ReplyDeleteNice
ReplyDeleteNice
ReplyDelete