Skip to main content

Featured Post

My photography.প্রথম এইট কে (8k) ছবি তোলার অভিজ্ঞতা ।

প্রথমবারের মতো 8k ছবি তোলার অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত উত্তেজনার। এক কথায় নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হচ্ছিল। কেননা 4k ক্যামেরা আজ কাল অনেকের কাছে থাকলেও 8k ক্যামেরার কিন্তু খুব অভাব। শুধু মাত্র হাতে গনা কয়েক জনের কাছেই এত হাই রেজুলেসন ক্যামেরা ছিল। যাই হক সময় তা ছিল শিতের প্রথম দিকে। ভাগ্যক্রমে সূর্য আলো যেন ছবি তোলার জন্য আমাকে সাহায্য করছিল। প্রথমে সূর্য বিপরীতে দারিয়ে সেডো পরীক্ষা করতে করতে একটা ক্লিক করতেই আশ্চর্য জনকভাবে এমন অসাধারণ এক ছবি উঠল আমি অবাগ হয়ে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মুগ্ধ হয়ে গিয়ে ছিলাম। 8k ক্যামেরার ক্ষমতা ধিরে ধিরে টের পেতে লাগলাম। সাধারণ ভাবে ছবি উঠালেও যেন মায়া ভরা সৌন্দর্য নিয়ে ছবি উঠে । এত ভালো কোয়ালিটির ছবি তলা যাচ্ছে দেখে নিজের একখানা ছবি তোলার লোভ শামলাতে পারলামনা। আর একজনকে ডেকে বললাম একটা ছবি তুলে দিতে। যখন উনি ছবি তুলছিলেন তখন ভাবছিলাম কেমন হবে ছবিটা ? সুন্দর ভাবে উঠবেত? নানান রকম কৌতূহল নিয়ে হালকা পোজ দিয়ে দাড়াতেই উনি ছোটপট ছবি উঠিয়ে বলতে লাগলেন ভাই আমার একটা ছবি উথিয়ে দিবেন? বলতে বলতে আমার হাতে ক্যামেরা ধরিয়ে দিয়ে নিজে নিজেই পোজ দিয়ে দাড়িয়ে ছবি উঠানোর জন্য অপেক্ষা কর...

মানিকনগর থেক্বে বান্দরবন ভ্রমন ২০২০

বান্দরবন ভ্রমন ২০২০

জানুয়ারি মাসের ১৭ তারিখে আমরা বান্দরবনের উদ্দেশে রওনাদেই।

গাড়ি ছারার সময় ১০ঃ৩০ হলেও প্রতিবাবের মতো গাড়ি ছাড়তে ছাড়তে ১২ঃ১০ বেজে যায়।

সবাই ঠিক সময় মতোই এসে ছিল কিন্তু আমারই সব গুছিয়ে উঠতে সময় লেগে যায়।

যাই হক শেষমেশ গাড়ির ইঞ্জিন স্টার্ট দিতেই সবার মনের  মধ্যে যেন আনন্দের চিৎকার বাধ হারা হয়ে বেরতে লাগলো।

সত্যি কথা বলতে আমিও চিৎকার করতে বাকি রাখিনি।

ভাবই লাগছিল তখন।একটু পরেই বাসের সুপারভাইজর আমাকে ডেকে বললেন ভাই যারা যারা পলি নিবে তাদের কে পলি দিয়ে দিব?

আমি বললাম আপনার যা যা ফরমালেতি পালন করার আপনি করে ফেলুন।

তিনি আমার সিটের পাশে দাড়িয়ে উনি উনার সংক্ষিপ্ত সাধুবাদ বক্তব্য শেষ করেন।তার পর  যাদের যাদের পলি দরকার তাদের পলি দিয়ে উনি উনার সিটে বসে গেলেন ।

যাত্রাবাড়ী পার করতেই সবাই স্পিকারের সাউন্ড বারিয়ে পুরো বাস নারিয়ে তুলতেলাগল।

আমি ততোক্ষণ সিটে বসে থাকলেও তারপর আর পারিনি।

সবাই এসে মাইকটা হাতে ধরিয়ে দিয়ে চিৎকার করতে লাগলো।

ভাবলাম খালি গলায় গান গাওয়ার থেকে কারাওকি দিয়ে গান গাওয়ার ব্যাপারটা মাথায় এল।

সাথে সাথে মোবাইলটা স্পিকারের সাথে কানেক্ট করে শুরু করে দিলাম ,শুধু আমি একা নই সবাই একসাথেই গান গাইতে লাগলাম।

৩০ মিনিটের ননস্টপ গান গাওয়ার পর সিটে এসে বসতেই মোবাইলে কল আসলো ;ভাইয়া আপনারা কি গাড়িতে উঠেছেন? একথা শুনেই বুঝতে পারলাম হোটেল ম্যানেজার কল করেছেন।

তারপর উনার সাথে কথা শেষ করার আগেই চাদের গাড়ির ড্রাইভার সাহেব কল দিলেন।

হোটেল ম্যানেজার এর সাথে কথা শেষ করে চাদের গাড়ির ড্রাইভার সাহেবের সাথে কথা বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পাইচারি করতে করতে কিছু সময় কাটানোর পর চলন্ত বাসের সামনে বসে গাড়ি চালানর দৃশ্য দেখার লোভ সামলাতে পারিনি।এজন্য সামনের দিকে গেলাম,একটু এগিয়ে যেতেই চোখে পরল শুধু আমি একাই নই আমার মতো আরও কয়েকজন গাড়ি চালানর দৃশ্য দেখার মজা নিচ্ছে।

যাই হক একা একা দেখে আর এত ভালো লাগত না সবার সাথে দেখলেই অনেক ভাললাগবে।এই ভেবে একদম সামনের দিকে বসে রাতের অন্ধকারে উজ্জ্বল আলো জালিয়ে খুব গতিতে ছুতে চলছিল গাড়িটা।একের পর এক ওভারটেক,হালকা কুয়াশা ঢাকা পিচঢালা পথের ওপর দিয়ে সজোরে চলছিল গাড়ি সে আজব এক সৌন্দর্য পূর্ণ দৃশ্য।

জিবনের সেরা কিছু মুহূর্ত যা সারা জিবন মনে থাকে।

Comments

Post a Comment